রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন: ভারত

শনিবার এক বিবৃতিতে ভারত সরকার বলেছে, “সংযতভাবে ও সতর্কতার সঙ্গে রাখাইন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে, নিরাপত্তা বাহিনীর পাশাপাশি বেসামরিক মানুষের কল্যাণের কথা ভাবতে হবে।“সহিংসতা বন্ধ করে ওই রাজ্যে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনা অত্যাবশ্যক।”

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সাম্প্রতিক মিয়ানমার সফরে রোহিঙ্গা নিপীড়ন নিয়ে ‘কোনো কথা বলেননি’ বলে তার সমালোচনার মধ্যে নয়া দিল্লির এই বিবৃতি এলো।

গত ২৪ অগাস্ট রাখাইনে কয়েকটি পুলিশ পোস্ট ও একটি সেনা ঘাঁটিতে রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের হামলার পর সেখানে নতুন করে অভিযান শুরু করে সেনাবাহিনী।

এরপর ঘর-বাড়ি ছেড়ে বাংলাদেশ অভিমুখে পালিয়ে আসতে থাকে রোহিঙ্গারা। এরইমধ্যে তিন লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকেছে বলে ধারণা করছে জাতিসংঘ।

নয়া দিল্লি বলছে, প্রথমে তারা রাখাইনে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

গত ৬ সেপ্টেম্বর মিয়ানমারের রাজধানীতে দেশটির নেত্রী অং সান সু চির সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে আসেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

গত ৬ সেপ্টেম্বর মিয়ানমারের রাজধানীতে দেশটির নেত্রী অং সান সু চির সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে আসেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

সাম্প্রতিক মিয়ানমার সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ‘নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য হতাহতের পাশাপাশি নিরীহ মানুষের প্রাণহানির’ জন্য উদ্বেগ জানিয়েছেন।“শান্তি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, ন্যায়বিচার, পারস্পরিক মর্যাদা বোধ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে এই সংকটের সমাধানের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।”

মোদীর সফরে মিয়ানমার সরকারের রাখাইন স্টেট ডেভেলপমেন্ট প্রোগামে ভারতের সহায়তার বিষয়ে মতৈক্য হয় বলেও বিবৃতিতে বলা হয়েছে।

Pin It