বন্দরে কন্টেইনার উঠানামার রেকর্ড

এর আগে চলতি বছরের মার্চে দুই লাখ ১৮ হাজার ৮৭৮ টিইইউ কন্টেইনার হ্যান্ডলিং ছিল সর্বোচ্চ।

নতুন যন্ত্রপাতি যোগ হওয়া, বন্দরের ভেতর খালি জায়গার পরিমাণ বৃদ্ধি এবং বেশি সংখ্যায় কাস্টমস কর্মকর্তা কর্মরত থাকায় কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ের পরিমাণ বেড়েছে বলে মনে করেন বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য জাফর আলম (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) জাফর আলম।

তিনি বলেন, তিনটি রাবার টায়ার গ্যান্ট্রি ক্রেনসহ (আরটিজি) কয়েকটি ফক লিফট ও স্ট্যাডেল ক্যারিয়ার যোগ হওয়ায় কন্টেইনার হ্যান্ডলিং আগের চেয়ে গতিশীল হয়েছে।

“এতদিন বন্দরের ভেতরে থাকা অকশন কন্টেইনারগুলো সাত নম্বর খালের পাশে নতুন নির্মিত ইয়ার্ডে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এতে বন্দরের জেটিতে কন্টেইনার রাখার জায়গার পরিমাণও বেড়েছে।”

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর চট্টগ্রাম বন্দর ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখা হচ্ছে এবং স্ক্যানিং দ্রুত করা হচ্ছে বলেও জানান এই বন্দর কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, “যেটুকু সক্ষমতা আমাদের আছে, তা নিয়েই দক্ষতা বাড়াতে সর্বোচ্চ কাজ চলছে।”

২০১৬-১৭ অর্থ বছরে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে কন্টেইনার পরিবহন হয় ২৪ লাখ ১৯ হাজার। এর আগে ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে এ পরিমাণ ছিল ২১ লাখ ৮৯ হাজার কন্টেইনার।

বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের ৯৮ শতাংশ কন্টেইনার চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর দিয়ে পরিবহন করা হয়।

চট্টগ্রাম বন্দরের ১২টি জেটি ব্যবহার করে এসব কন্টেইনার ওঠা-নামা করা হয়।

চলতি বছরের ২১ জুলাই থেকে ২২ জুলাই দুপুরের মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ ৯৬৯৫ টিইইউকন্টেইনার হ্যান্ডলিং এর কথা জানিয়েছিলেন বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম খালেদইকবাল।

Pin It