পদ্মা সেতুর রেল সংযোগ: ‘চীনের সঙ্গে চুক্তি ডিসেম্বরে’

01_Padma+Bridge_Span_300917_0004

তিনি বলেছেন, “আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে চীনের সঙ্গে পদ্মা রেল সংযোগ প্রকল্পের বিষয়ে চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে।”

রোববার শেরে বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সঙ্গে ২৬ কোটি ডলারের এক ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী, ২০১৯ সালে একই দিনে পদ্মা সেতুতে সড়ক ও রেল চালু হওয়ার কথা। সেজন্য ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে কাজ শুরুর জন্য পদ্মা রেল সংযোগ প্রকল্প নিয়ে গত বছর ডিসেম্বরে চীনের সঙ্গে ঋণচুক্তি সই করার কথা থাকলেও তা হয়নি।

এবিষয়ে গত ২৭ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ইআরডির কাছে চিঠি পাঠিয়ে চীনা কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়ে দ্রুত চুক্তি স্বাক্ষরের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হলেও চীনের গড়িমসির কারণে চুক্তি হয়নি।

এমন পরিস্থিতিতে প্রকল্পটির কোনো কাজ শুরু হয়নি। সরকারের হিসাবে, এর মধ্যে পদ্মা সেতুর কাজ প্রায় অর্ধেক শেষ হলেও রেল সংযোগ বিষয়ে চুক্তি না হওয়ায় নির্দিষ্ট সময়ে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

ইআরডির এক কর্মকর্তা  বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর আমরা চীনা কর্তৃপক্ষের কাছে এ প্রকল্পটিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তালিকাভুক্ত করার অনুরোধ জানাই। এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে চুক্তি করার জন্য আটটি প্রকল্প বাছাই করা হয়েছে, যার মধ্যে পদ্মা রেল সংযোগ প্রকল্প অন্যতম।”

সর্বশেষ সংশোধনী অনুযায়ী, পদ্মাসেতু প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদ দুই বছর বাড়িয়ে ২০২০ সালের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।

গত বছরের ১৪-১৫ অক্টোবর চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ঢাকা সফরের সময় দুই দেশের সরকার প্রধানের উপস্থিতিতে পদ্মা রেল সংযোগ প্রকল্পের জন্য চীনের এক্সিম ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ৩১৩ কোটি ৮৭ লাখ ডলারের (৩.১৩ বিলিয়ন ডলার) সমঝোতা ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

একই সঙ্গে ওই দিন চীন সরকার মনোনীত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে গ্রুপের (সিআরইসি) সঙ্গে বাংলাদেশ রেলওয়েরও একটি বাণিজ্যিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

Pin It