কার সঙ্গে আলোচনা: প্রধানমন্ত্রী

বিএনপিকে আগামী নির্বাচনে আনার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে কোনও আলোচনার উদ্যোগ নেবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।

163603btv1

বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে হাজির হন। এতে সদ্য সমাপ্ত কম্বোডিয়া সফরের বিস্তারিত তুলে ধরছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কার সঙ্গে আলোচনা?

বিএনপি একটি নির্দলীয় সরকার চায়; এক্ষেত্রে তাদের নির্বাচনে আনতে সরকার প্রধান হিসেবে কোনও অবদান রাখবেন কিনা- এমন প্রশ্নে তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কার সঙ্গে আলোচনা? কিসের প্রস্তাব! একবার প্রস্তাব দিয়ে যে ঝাড়িটা খেলাম আর প্রস্তাব দেওযার ইচ্ছা নেই। তাকে আর প্রস্তাব দেওযার দরকার আাছে বলে মনে করিনা।

তিনি বলেন, তারা (বিএনপি) নির্বচনে আসতে চায় আসবে এটা তাদের পার্টির সিদ্ধান্ত। এখানে আমাদের কিছু করার নেই। এত সাধাসাধির দরকার কি হলো; আমি বুঝতে পারলাম না।

শেখ হাসিনা বলেন, আর যাই হোক আমি প্রধানমন্ত্রী। তার ছেলে মারা গেল; আমি তার ছেলে মারা গেলেন। আমাকে ঢুকেতে দেয়নি।

বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রায় আট মাস পর কোনো সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন। ভারত সফর শেষে চলতি বছরের ১০ এপ্রিল সর্বশেষ সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছিলেন তিনি।

তিন দিনের সরকারি সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত রোববার কম্বোডিয়া যান। এই সফরকালে সেখানে শেখ হাসিনার নানা কর্মসূচিতে যোগদান ছাড়াও নয়টি সমঝোতা ও একটি চুক্তি সই হয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটির সঙ্গে। মঙ্গলবার দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সফর দুই দেশের সম্পর্ক গড়ে তুলতে গভীর ভূমিকা রাখবে। এতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও দূঢ় হবে। সম্প্রতি আমার কম্বোডিয়া সফরে দুই দেশই লাভবান হবে।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে তিনি বলেন, যেহুতু তারা প্রতিবেশি দেশ; আমি চাই প্রতিবেশি দেশের সাথে সদভাব থাকুক। মানবিক কারণে তাদের আশ্রয় দিয়েছি; কিন্তু তাদের অবশ্যই ফিরিয়ে নিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে। মিয়ানমার সরকার স্বীকার করেছে-একটা কমিটি করা হবে; তাদের ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

Pin It